| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কিশোর গ্যাং, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: শিক্ষামন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২৬ ইং | ২১:১৯:১০:অপরাহ্ন  |  ৬৪৯৭৩০ বার পঠিত
কিশোর গ্যাং, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: শিক্ষামন্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি: কিশোর গ্যাং, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এসব অপরাধ দমনে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করবে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কচুয়াকে তিনি সুশাসনের একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে কিশোর গ্যাং দমনে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। বাজারগুলোতে চাঁদাবাজি বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বাজার ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিশেষ করে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এতে প্রশাসন ও পুলিশ আরও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে বলে তিনি মত দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যতদিন তিনি দায়িত্বে থাকবেন ততদিন কাউকে দুর্নীতি করতে দেবেন না। জন্ম থেকে এই অঙ্গীকার লালন করে আসছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা দুর্নীতিবিরোধী এই অবস্থানের সঙ্গে একমত নন, তারা দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।

তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার কারণেই বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। কচুয়ার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন। এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এদিকে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, প্রতিটি এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নাম-পরিচয়সহ তালিকা করার উদ্যোগ নিতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে উত্তরায় স্কুলছাত্র আদনান হত্যাকাণ্ডের পর কিশোর গ্যাং ইস্যু দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। পরবর্তীতে বিভিন্ন অপরাধে এ ধরনের গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে আসে। ২০২৩ সালে র‌্যাবের অভিযানে সারাদেশ থেকে কিশোর গ্যাংয়ের বিভিন্ন গ্রুপের ৩৪৯ সদস্য গ্রেপ্তার হন। ২০২৪ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে দেশে ২৩৭টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় থাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এসব গ্যাংয়ের হাতে অন্তত ২৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪