রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্যরা (এমপি) শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন বা জনগণকে প্রতিনিধিত্বই করেন না, বরং রাষ্ট্র তাদের জন্য নির্ধারিত কিছু সম্মানী, ভাতা ও সুবিধা দিয়ে থাকে।
এসব সুবিধা নির্ধারিত হয়েছে ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী, যা সময় সময় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করা হয়েছে।
মূল সুবিধাগুলো হলো—
মাসিক সম্মানী: ৫৫ হাজার টাকা।
নির্বাচনী এলাকা ভাতা: ১২,৫০০ টাকা।
আপ্যায়ন ভাতা: ৫ হাজার টাকা।
শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা: দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি বা জিপ/মাইক্রোবাস, ৫ বছর পর নতুন গাড়ি।
পরিবহন ভাতা: ৭০ হাজার টাকা (যাতায়াত, জ্বালানি, চালক বেতনসহ)।
অফিস ব্যয় ভাতা: ১৫ হাজার টাকা (নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য)।
লন্ড্রি ও আনুষঙ্গিক ভাতা: ১,৫০০ + ৬,০০০ টাকা।
ভ্রমণ ভাতা (সেশন ও কমিটি): বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়া ১.৫ গুণ এবং সড়কপথে কিলোমিটার প্রতি ১০ টাকা।
দৈনিক ভাতা: ৭৫০–৮০০ টাকা, যাতায়াত ভাতা ৭৫–২০০ টাকা।
দেশে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ: বছরে ১,২০,০০০ টাকা বা সমপরিমাণ নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস।
চিকিৎসা সুবিধা: এমপি ও পরিবারের জন্য প্রথম শ্রেণির সরকারি চিকিৎসা এবং ৭০০ টাকা মাসিক চিকিৎসা ভাতা।
টেলিফোন সুবিধা: বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কলভাতা ৭,৮০০ টাকা।
বিমা সুবিধা: দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বে ১০ লাখ টাকার বিমা।
ঐচ্ছিক অনুদান: জনকল্যাণমূলক কাজে বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ।
কর সুবিধা: সব ভাতা আয়করমুক্ত।
উদ্দেশ্য: এসব সুবিধা সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা, নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, গণসংযোগ জোরদার এবং প্রশাসনিক কাজ সহজ করার জন্য।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে