| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৯, ২০২৬ ইং | ০৬:৪৯:১৭:পূর্বাহ্ন  |  ৭৭৮৪৩৪ বার পঠিত
চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে বন্দরের পাঁচটি দাবির সমাধান না হলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন কর্মসূচি শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম খোকনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান এনসিটি চুক্তি নিয়ে উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে ধর্মঘটের সময় বন্দরের পাঁচজন কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ১৫ জন কর্মচারীকে দেশের বিভিন্ন বন্দরে হয়রানিমূলক বদলি করা হয়েছে। আন্দোলনরত কর্মচারীদের নানা ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বাসা বরাদ্দ বাতিল এবং ১৬ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা অন্তর্ভুক্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সন্তোষজনক আলোচনা এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজানের পণ্য রিলিজের স্বার্থে ধর্মঘট সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হলো। এই সময়ের মধ্যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের নেতা মো. হুমায়ুন কবীর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বন্দরের শ্রমিক ও কর্মচারীদের অধিকার নিশ্চিত এবং বন্দরের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য সরকারকে চাপ দিতে এই কর্মসূচি নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনরত শ্রমিকদের মধ্যে চলমান এই টানাপোড়েন নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ের সক্রিয় মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ধর্মঘট স্থগিত করা সরকার ও বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য সময়মতো সমাধান খুঁজে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে, অন্যদিকে শ্রমিক ও কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নের চাপও বজায় থাকবে।

সংক্ষেপে, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ধর্মঘট আন্দোলনকারীদের জন্য একটি সময়সীমা হলেও যদি তাদের মূল পাঁচটি দাবি পূরণ না হয়, তাহলে তারা দ্রুত নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করতে প্রস্তুত।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪