| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভোট পারফেক্ট করাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৭, ২০২৬ ইং | ২৩:০৭:৩১:অপরাহ্ন  |  ৭৯১০৫৫ বার পঠিত
ভোট পারফেক্ট করাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। এখন পর্যন্ত নির্বাচন প্রস্তুতি সন্তোষজনক হলেও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিখুঁত করাই সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য সাংবাদিকদের জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

ড. ইউনূস বলেন, সারা দেশে খুব সুন্দরভাবে প্রচারণা চলছে। কেউ কারও বিরুদ্ধে কটু কথা বলছে না, কোনো অভদ্র আচরণ হচ্ছে না। এটি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। প্রস্তুতি পর্ব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট উই আর ভেরি হ্যাপি।

তিনি আরও বলেন, এখন আমাদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ভোটটাকে পারফেক্ট করা। ভোট যাতে নিখুঁত ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেটাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন আগামী এক সপ্তাহ নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোট হবে উৎসবমুখর। নারীরা আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবেন এবং মানুষ পরিবারসহ ভোট উৎসবে অংশ নেবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যাশা, এবারের নির্বাচন দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে শফিকুল আলম জানান, সারাদেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হচ্ছে। বৈঠকের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা র‍্যান্ডমভাবে পাঁচটি স্থানে দায়িত্বে থাকা বডি ক্যামেরা ব্যবহারকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং ক্যামেরার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি আরও জানান, নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ পুরোপুরি চালু হয়েছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করবেন নির্বাচন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। কোনো ভোটকেন্দ্রে বা আশপাশে বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা ঘটলে অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানানো যাবে। এতে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

প্রেস সচিব বলেন, দুর্গাপূজার সময় পরীক্ষামূলকভাবে একই ধরনের অ্যাপ ব্যবহৃত হয়েছিল, যার আওতায় ৩২ হাজার মণ্ডপ ছিল। সেই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সফল ও কার্যকর হওয়ায় এবার জাতীয় নির্বাচনে এটি আরও বিস্তৃতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪