আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তান আগামী রোববার থেকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের প্রতিনিধি দেশগুলোর সঙ্গে দুইদিনব্যাপী আলোচনা অনুষ্ঠিত করবে, যার লক্ষ্য ইরান যুদ্ধে উত্তেজনা হ্রাস করা। ইসলামাবাদ নিজেকে মার্কিন ও ইরানের আলোচনার সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী “আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গভীর আলোচনা” করবেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, এই বৈঠকে একটি নির্দিষ্ট ‘ডি-এস্কেলেশন’ প্রক্রিয়া তৈরি করার চেষ্টা করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা আলোচনা করব যুদ্ধের চলমান পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, এই চার দেশ কীভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছে এবং আমরা কী করতে পারি।
চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, পাকিস্তান ইতোমধ্যেই তেহরানকে মার্কিন ১৫-পয়েন্ট প্রস্তাব পৌঁছে দিয়েছে এবং আলোচনার জন্য দেশটি কেন্দ্রস্থল হিসেবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যেকোনো আলোচনার স্থান পাকিস্তান বা তুরস্ক হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া ভালোভাবে এগোচ্ছে, যদিও তেহরান এই আলোচনা অস্বীকার করেছে। মার্কিন প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন সীমিত করা এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ইরান একপাক্ষিক ও অন্যায় হিসেবে দেখছে।
বিশ্বের নতুন ‘পলিসেন্ট্রিক’ ব্যবস্থা রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথ নিরাপদ রাখতে এই উচ্চ-স্তরের বৈঠক জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। আলোচনার লক্ষ্য হলো যুদ্ধে আরো ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়ার আগে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নির্ধারণ করা। রয়টার্স
রিপোর্টার্স২৪/এসসি