রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে টানা সাত দিনের ছুটি, আর সেই সঙ্গে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে ঘরে ফেরার উচ্ছ্বাসমুখর দৃশ্য। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দীর্ঘ ছুটি শুরু হয়েছে। এর আগের দিন সোমবার ছিল শেষ কর্মদিবস, আর বিকেল গড়াতেই সড়ক, বাসস্ট্যান্ড ও টার্মিনালে নেমে আসে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শনিবার ( ২১ মার্চ) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাব্য তারিখ মাথায় রেখেই আগেভাগে ছুটির পরিকল্পনা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রথমে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ঈদের দিন ২১ মার্চ ছিল সাধারণ ছুটি। পাশাপাশি ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত হয়। পরে ঈদযাত্রা সহজ করতে অতিরিক্তভাবে ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যুক্ত হয়ে টানা সাত দিনের ছুটির সুযোগ পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
ঈদযাত্রায় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণার দাবি উঠেছিল আগে থেকেই। সেই প্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হয় এবং পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, কার্যপ্রণালী বিধিমালা অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে এই ছুটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে দীর্ঘ এই ছুটির মধ্যেও জরুরি সেবাগুলো সচল থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এসব খাত ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন—এসব কার্যক্রমও স্বাভাবিক থাকবে। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি অফিসগুলোও খোলা রাখা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম