রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ঢাকার গণপরিবহনব্যবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার জন্য ১৮০ দিনের কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক।
সোমবার (২ মার্চ) তিনি বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মূল লক্ষ্য ও কর্মসূচি
নারী-বান্ধব বাস: নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও সুবিধাজনক যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত বাস চালু করা হবে। নারী চালক নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
ইলেকট্রিক বাস: ধাপে ধাপে ডিজেলচালিত বাসের পরিবর্তে বিদ্যুৎচালিত বাস চালু করে দূষণ কমানো এবং পরিবহনব্যবস্থা আধুনিক করা হবে।
জোনভিত্তিক পাইলট কার্যক্রম: কম বিনিয়োগে বেশি মানুষের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং মেট্রোরেলের পরিপূরক হিসেবে অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সমন্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঘিঞ্জি এলাকায় লাইট রেল ও মনোরেল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত এলাকায় লাইট রেল ও মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ঢাকার পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তের ঘিঞ্জি এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত বাসসুবিধা নেই। তাই মেট্রোরেলের পাশাপাশি লাইট রেল, মনোরেল, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি, বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ও সাধারণ বাস মিলিয়ে সমন্বিত গণপরিবহন কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নগর বিকেন্দ্রীকরণ ও রেলভিত্তিক যোগাযোগ
ঢাকার ওপর চাপ কমাতে রেলভিত্তিক দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার মাধ্যমে নগর বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়ও আলোচনার অংশ ছিল। দ্রুতগতির ট্রেন চালু করলে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য অঞ্চলের যাতায়াত সহজ হবে এবং রাজধানীর ওপর চাপ কমবে।
পরবর্তী ধাপ
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। এর ভিত্তিতে গণপরিবহনকে সমন্বিত, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব রূপে গড়ে তুলতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে