| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

টিআইবির প্রতিবেদনের তথ্য গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে: সরকার

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৮, ২০২৬ ইং | ১৪:১৪:৪৩:অপরাহ্ন  |  ৭৬৯৩৪৬ বার পঠিত
টিআইবির প্রতিবেদনের তথ্য গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে: সরকার
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার: নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৩৬ দিনে ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী নিহত হয়েছে; এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তবে সরকার বলেছে, এই সংখ্যা অন্ধভাবে পুনরুক্তির আগে গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বার্তায় বলা হয়েছে, পুলিশের নথি অনুযায়ী এই সময়ের হত্যাকাণ্ডের মধ্যে মাত্র পাঁচটি সরাসরি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল তরুণ নেতা ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ড। বার্তায় বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয়। ওসমান হাদির হত্যার উদ্দেশ্য দেশে আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা ছিল, যা সফল হয়নি।

সরকার আরও উল্লেখ করেছে, টিআইবির প্রতিবেদনে প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়নি। বাংলাদেশে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতা নতুন কিছু নয়। ২০১৪ সালে ১১৫ জন, ২০১৮ সালে ২২ জন এবং ২০২৪ সালে ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমান নির্বাচনের প্রাক-পরিস্থিতিকে ভয়াবহ প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখানো সহজে টেকসই নয়।

টিআইবির পরিসংখ্যান ও সরকারি তথ্যের পার্থক্য সরকার কোনও ধামাচাপা দেওয়ার ফল নয় বলে ব্যাখ্যা করেছে। এটি মূলত মৃত্যুর ঘটনা শ্রেণিবিন্যাসের পদ্ধতির পার্থক্য। টিআইবি যেকোনো রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে নির্বাচন-সম্পর্কিত বলে গণ্য করছে, তবে সরকার শুধুমাত্র প্রমাণিত নির্বাচন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ঘটনাগুলোকে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করছে।

বার্তায় বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা এখনো নিখুঁত নয়। তবে ক্ষমতা গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী সরকার অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অপসারণ বা বরখাস্ত করেছে, গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করেছে এবং সমাবেশ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। ওসমান হাদি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন; এই তিনটি পাবলিক প্রোগ্রামের শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থাপনা প্রমাণ করেছে যে, সংযম ও পেশাদারিত্ব সম্ভব।

বার্তায় আরও বলা হয়েছে, কোনো সরকারই সহিংসতা পুরোপুরি রোধ করতে পারে না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি আগের মতো নয়। নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর নজরদারি রাখছে, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মাঠে রয়েছেন। এসব বাস্তবতা আশার সঞ্চার করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান নির্বাচনী সহিংসতার চক্রের অবসান ঘটানোর সম্ভাবনা তৈরি করছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪