সিলেট প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) তিনটি মূল বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেবে—নিরাপত্তা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা। এই তথ্য জানিয়েছেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবস।
শুক্রবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হবে, নাগরিকরা কতটা নিরাপদে এবং নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছে, নারী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীসহ সকলের অন্তর্ভুক্তি কতটা নিশ্চিত হচ্ছে এবং প্রার্থীরা সমান সুযোগ পাচ্ছেন কি না।
ইভারস আইজাবস আরও জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে এক মাস আগে শুরু হয়েছে। ঢাকায় কোর টিমের সঙ্গে আইনি বিশেষজ্ঞ, নির্বাচন বিশ্লেষক ও মিডিয়া বিশ্লেষক রয়েছে, যারা ভোট প্রচার ও গণনা পর্যবেক্ষণ করবেন। এছাড়া ইউরোপ থেকে আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশজুড়ে ভোট ও গণনা পর্যবেক্ষণে যুক্ত হবেন।
তিনি বলেন, আমাদের কাজ শুধুই পর্যবেক্ষণ; নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করা হবে না। এটি মূলত বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রক্রিয়া এবং বাইরের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদার দেশগুলো—সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও কানাডাও এই মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আইজাবস বলেন, এই নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের লক্ষ্য দেশটির সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সবুজ শক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিনিয়োগে আমরা আগ্রহী। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এই সম্পর্কের ভিত্তি।
ইইউ পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় প্রাথমিক প্রতিবেদন এবং দুই মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করবে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি