নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে উল্টো দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের মামলাসহ ৪/৫ টি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন শ্রমিক দলনেতা ও ছাপ ঠিকাদার মো. ছালেহ উদ্দিন। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মঙ্গলবার সাড়ে ১১ টায় সুবর্ণচর প্রেসক্লাব সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ছালেহ উদ্দিন বলেন, তিনি একজন ছাপ ঠিকাদার, বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে হয়রানি করতে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেন তারই কর্মচারী জাহাঙ্গীর। এরপর সামাজিক ভাবে টাকা চাইতে গেলে মানিচুট মামলা, বাড়ী ঘরে হামলার মামলা এবং বর্তমানে সালিশ নামার বিরুদ্ধে আরো ৩ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানীর অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা সালেহ উদ্দিন। শুধু তাই নয় উকিল নোটিশ, রেজিষ্টার্ড এ.ডি ভূয়া ঠিকানায় প্রেরণ করে গ্রেপ্তার করেন।
অভিযুক্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার চরজুবলী মধ্যপুকুরের উত্তর কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো. ছালেহ উদ্দিন একই এলাকার এস.এস কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা ছালেহ উদ্দিন বলেন, পন্টন ক্রয় ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বালি সরবরাহের জন্য তার কর্মচারী জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন এবং কাজের জন্য তাকে ৩২ লাখ টাকা অগ্রিম দেয়া হয়। কিন্তু ১০ লাখ টাকার কাজ শেষ করে এস.এস কর্পোরেশনের ছালেহ উদ্দিনের স্বাক্ষরকৃত কয়েকটি বিল প্যাড ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় জাহাঙ্গীর।
পরে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে ২০২৩ সালের জুন মাসে নোয়াখালীর জেলা মাইজদী শহরে একটি ভূয়া ঠিকানা দেখিয়ে ছালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা করেন প্রতারক জাহাঙ্গীর।
সালেহ উদ্দিন আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোর্রেশনের নিতিমালা অনুযায়ী জাহাঙ্গীর মানিচুটের যে মামলা করেছেন সেটার মধ্যে তিনি পড়েন না কেননা তিনি একজন সাধারণ সহযোগী ঠিকাদার। তাঁর কোন ঠিকাদারি লাইসেন্স নেই। তিনি ২২ লাখ টাকার জন্য জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দিয়েছি। সেটি পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো ( পিআইব) তদন্তে সত্যতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি ।
তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, জাহাঙ্গীর স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর পলাতক থাকলেও তিনি মামলার কারণে সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু