ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চন্ডিপুর বাজার সংলগ্ন চন্ডিপুর বিষ্ণুপদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে গোপনে ভিন্ন তালিকা পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ০৭ মে ২০২৬ ইং তারিখে এলাকাবাসীর সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক বরাবর এডহক কমিটির জন্য তিন সদস্যের একটি নামের তালিকা পাঠানো হয়। ওই তালিকায় ছিলেন, ১. গোলাম সরোয়ার ২. জহিরুল ইসলাম ৩. কামাল হোসেন
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি সকলের জানা ছিল এবং সর্বসম্মতিক্রমেই ওই তালিকা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে ১০ মে ২০২৬ ইং তারিখে নতুন করে আরও একটি তালিকা পাঠানো হয়। সেখানে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়, ১. ইজ্জত আলী ২. জহিরুল ইসলাম ৩. আরিফুল ইসলাম।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও তিনি নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে নিজের ছেলের চাকরির স্বার্থে নতুন তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে এডহক কমিটির তালিকা পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন, আমরা চাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হোক। কোনো গোপন প্রক্রিয়া বা ব্যক্তিস্বার্থের মাধ্যমে কমিটি গঠন মেনে নেওয়া হবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু