আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে পুনরায় ‘প্রেসিডেন্ট অব স্টেট অ্যাফেয়ার্স’ বা রাষ্ট্রীয় বিষয়াবলির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে, রোববার পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির প্রথম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অধিবেশনে সমাজতান্ত্রিক সংবিধানে সংশোধনী ও সংযোজন, রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন এবং স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের চেয়ারম্যান পদ পুনর্নির্ধারণের বিষয়গুলো আলোচনায় আসে।
সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি উত্তর কোরিয়ার আইনসভা হলেও এটি মূলত শাসক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সিদ্ধান্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়। দলীয় কংগ্রেসের সিদ্ধান্তগুলো আইনগত রূপ দিতেই সাধারণত এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এ বৈঠকে চলতি অর্থনৈতিক পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত পার্টির নবম কংগ্রেসে এই পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের দৃষ্টি রয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ‘দুই শত্রু রাষ্ট্র’ নীতিকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পিয়ংইয়ং শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের পুরোনো নীতি থেকে সরে এসে সিউলকে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এদিকে, কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম জং উন-এর নাম নতুন করে স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের সদস্য তালিকায় দেখা যায়নি। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, এতে তার প্রভাব কমেছে,এমনটা বলা যাবে না; বরং এটি দায়িত্ব বণ্টনের কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি