সিনিয়র রিপোর্টার: রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দীর্ঘ ৪৯ ঘণ্টা পর মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় কেরানীগঞ্জ লবণের মিলের বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বরিশুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ। এ ঘটনায় মিরাজ ফকির ছেলে সোহেল ফকির (২২) মারা গেছেন।
নৌ পুলিশ জানায়, কেরানীগঞ্জ লবণের মিলের বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের স্বজনরা মিরাজ ফকিরের পরিচয় নিশ্চিত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মিডফোর্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী রুবা ফকির (২০) গুরুতর আহত অবস্থায় মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নৌ-পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় মিরাজ ফকিরের বড় ভাই সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্তি ৫ আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা দুই লঞ্চের স্টাফ ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সদরঘাটে ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় পেছন থেকে ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ (ঢাকা-দেউলা-ঘোষেরহাট) নামে আরেকটি লঞ্চ ধাক্কা দেয়। এতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি