রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটি দল করি, যার কাজ হলো মানুষের উপকার করা। সেই কাজগুলো করা, যেগুলো করলে মানুষের উপকার হবে। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সাহাপাড়ায় খাল খনন শেষ হলে ৩১ হাজার কৃষক পানি পাবে এবং ১২শ হেক্টর জমি সেচ সুবিধা লাভ করবে। প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ সরাসরি এই খাল থেকে উপকৃত হবেন।
সোমবার দুপুরে বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের মাধ্যমে দেশের নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনের পর তিনি খালের পাড়ে একটি বৃক্ষও রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইসা, ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আবু জাহের, ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদরুল আলম, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বিকেলে দিনাজপুরের শেখ ফরিদ মডেল কবরস্থানে যান। সেখানে তিনি তার নানা-নানি ও খালার কবর জিয়ারত করেন। এরপর বিকেল ৫টায় দিনাজপুর সার্কিট হাউস চত্বরে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।
এর আগে, কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি ঢাকা বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সড়কপথে কর্মসূচি স্থলে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান, দেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় জনগণ এই খাল খনন কর্মসূচির সুবিধা পাবে। যে এলাকায় ভোট দিয়েছেন, তারাও সুবিধা পাবেন, যে এলাকায় ভোট দেননি, তারা সমানভাবে সুবিধা ভোগ করবেন।
রিপোর্টার্স২৪/ ঝুম