রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রাশেদ কামাল অনিক আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে অনিকের পক্ষে আইনজীবী জামাল উদ্দিন আত্মসমর্পণ ও জামিনের আবেদন দাখিল করেন। তবে শুনানিতে আসামি উপস্থিত ছিলেন না। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী জানিয়েছেন, শুনানিতে অনিক বা তার আইনজীবীকে পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১০ মার্চ পিবিআই ২৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তাদের মধ্যে ২২ জন পলাতক রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। পলাতকদের মধ্যে রাশেদ কামাল অনিকও রয়েছেন।
মামলার অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক জালাল মিয়া, ভূগোল বিভাগের আল হোসাইন সাজ্জাদ, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া, আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, ওয়াজিবুল আলম সহ ২৮ জন। এর মধ্যে কিছু শিক্ষার্থী জামিনে আছেন, কিছু কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক।
ঘটনা ঘটে ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে। পরদিন শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্রে ২১ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের স্বচ্ছতার বিষয়ে আপত্তি জানায়। পরে পিবিআই পুনরায় তদন্ত পরিচালনা করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
নিহত তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নে। বরিশাল বিএম কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। মানসিক সমস্যার কারণে তিনি কোনো কাজকর্মে যুক্ত ছিলেন না।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি