স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ২ মার্চ অষ্টম জাতীয় ভোটার দিবস পালন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতিমধ্যে সংস্থাটি প্রস্তুতি শুরু করেছে। এতে স্পিকার, আইনমন্ত্রীসহ নিবন্ধিত দলগুলোর প্রধানদের আমন্ত্রণ জানাতে পারে কমিশন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির নির্বাচন শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।
তারা বলছেন, এবার রমজান হওয়ায় বড় আয়োজন না করার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে সীমিত আকারে র্যালি হতে পারে। কেন্দ্রের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সীমিত আকারে পালিত হবে এই দিবস। ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে প্রধান করে ২৯ সদস্যের এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রধান করে ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, অন্যান্য বারের মতো এবারও ভোটার দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হবে। ২০১৩ সালে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নির্বাচন কমিশনের সংগঠন ফেমবোসার চতুর্থ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলো জাতীয়ভাবে ভোটার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর পরই মূলত জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের ভাবনা শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জাতীয়ভাবে ভোটার দিবস উদযাপনের একটি প্রস্তাব কমিশন সভায় উপস্থাপন করে। কমিশন প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করে এবং নীতিগতভাবে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
২০১৯ সালের ১ মার্চ প্রথমবার ভোটার দিবস পালন করা হলেও, ২০২০ সালে ভোটার দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করে ২ মার্চকে ভোটার দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে ‘খ’ শ্রেণীভুক্ত করে ১ মার্চকে বিমা দিবস ঘোষণা করে তৎকালীন সরকার।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটার দিবস পালন করার মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের ভোটার হওয়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা। বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোও লক্ষ্য।
বর্তমানে দেশে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন, পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব