সিনিয়র রিপোর্টার: গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামের গেজেট প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
শুক্রবার রাতে কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গেজেট জারি করেন। গেজেটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, মাতার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে। এখন তাদের শপথগ্রহণের আয়োজন করা হবে।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট আপাতত প্রকাশ করা হয়নি।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় জোটের অন্যান্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন।
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল ও ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অথবা তার মনোনীত ব্যক্তি। নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে তা সম্ভব না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।
সংসদ সদস্যদের শপথের দিনই নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন সম্পন্ন হবে। তিনি আরও জানান, সব দলকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি সংসদে যাবে এবং ‘জুলাই সনদ’, নির্বাচনী ইশতেহার ও ঘোষিত ৩১ দফা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি